Blogging vs Youtube কোনটি সবথেকে ভালো

ব্লগিং এবং ইউটিউব দুটোই পয়সা আর নাম অর্জন করার জন্য সবথেকে ভাল মাধ্যম ভারতবর্ষে অনেক মানুষ এই দুটোর মাধ্যমেই ভালো পয়সা রোজগার করেন আর আজকাল এই দুটো মাধ্যমকে অনেকেই ফুল টাইম জবের মত নিয়ে নিয়েছেন কিন্তু একজন নতুন মানুষ Blogging vs Youtube এই টপিক সম্পর্কে সব সময় কনফিউজ থেকে থাকেন এই জন্য আজকে আমি আপনাদের এই দুটির সম্বন্ধে ভালো ভাবে বিস্তারিত বলবো

আপনারা হয়তো এটা অবশ্যই জানেন ব্লগ আর ইউটিউব চ্যানেল কি এবং কিভাবে বানাবেন যদি আপনারা এই সম্বন্ধে না জেনে থাকেন তাহলে আমি আপনাদের নিচে লিংক দিয়ে দেবো আপনারা সেখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন

তাহলে চলুন বন্ধুরা আমরা জেনে নিই ব্লগ আর ইউটিউব চ্যানেল বানানোর জন্য কি কি প্রয়োজন?

 

Blogging vs Youtube

Blogging vs Youtube কোনটি সবথেকে ভালো

যদি আপনাদের মনের মধ্যে এই প্রশ্নটিই বারবার ঘুরপাক খেতে থাকে আর আপনারা কনফিউজড হয়ে থাকেন কোনটির উপরে কাজ করবেন তাহলে আপনারা এই পোস্টটিকে সম্পূর্ণ পড়ুন এখানে আমি আপনাদের প্রত্যেকটি পয়েন্ট বিস্তারিত হবে উল্লেখ করেছি যেটি আপনাদের জেনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

Blogging এর জন্য কি কি প্রয়োজন?

  • ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে
  • SEO এর সম্বন্ধে ভালো জ্ঞান থাকা প্রয়োজন
  • Writing এবং communication skill ভালো থাকা প্রয়োজন
  • নিয়মিত একটিভ থাকতে হবে

 

Youtube channel এর জন্য কি কি প্রয়োজন?

  • ভিডিও এডিটিং এর সম্বন্ধে তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন
  • Youtube SEO এর সম্বন্ধে জানতে হবে

এদের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে আমরা জানতে পারছি Youtube channel বানানো কিছুটা সহজ তাহলে চলুন আমরা জেনে নিই এদের ভালো দিক এবং খারাপ দিক সম্বন্ধে

 

Blogging vs Youtube: লাভ এবং লিমিট

যদি আমরা ব্লগিং এর ভালো দিকের কথা বলি তাহলে সবথেকে ভালো দিক হল নিজেদের ডোমেন নেম এবং হোস্টিং থাকার ফলে কেউ আমাদের ব্লগ বন্ধ করতে পারবে না কিন্তু ইউটিউবে কিছু একটি ভুল হলে চ্যানেল সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে এখন অনেক মানুষের চ্যানেল ডিলিট করে দিয়েছে ইউটিউব

ইউটিউবে আমরা ads এর জন্য শুধুমাত্র এডসেন্সকে ব্যবহার করতে পারি কিন্তু ব্লগে আমরা যেকোনো ধরনের এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারি

ব্লগিংয়ে পাঠকদের সাথে আমরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারি আর অথর এবং পাঠক খুব কাছাকাছি চলে আসে কিন্তু ইউটিউব চ্যানেলে এটি খুব কম হয়ে থাকে বেশিরভাগ সময় ভিউয়ার চ্যানেলের এডমিন কে তাই জানতে পারেন না

ব্লগে আমরা নিজেদের ইমেইল লিস্ট বানাতে পারি এবং এটি আমরা যে কোন সময় ব্যবহার করতে পারি ব্লগ ছাড়াই কিন্তু ইউটিউবে এই ধরনের কোন অপশন থাকেনা

ইউটিউবে বেশি জ্ঞান থাকা প্রয়োজনীয় নয় কিন্তু ব্লগিং-এ SEO, Backlink, Domain, Hosting, Template ইত্যাদির জ্ঞান থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

 

Blogging vs Youtube কোনটিতে বেশি ইনকাম করা যায়?

ব্লগ আর ইউটিউব চ্যানেলে ইনকাম করার জন্য বেশিরভাগ আমরা এডসেন্স এর সাহায্য নিয়ে থাকি অ্যাডসেন্স সাধারণত দুটি জিনিসের উপর নির্ভর করে

View:  ইউটিউব এর তুলনায় 10 থেকে 15 গুণ বেশি view আসে কিন্তু ad view এর কথা বললে একটি ব্লগে আমরা যতখুশি অ্যাড দেখাতে পারি এর ফলে এর ভিউ অর্থাৎ পেজভিউ 5 থেকে 6 গুণ বেশি হয়ে থাকে

CPC এবং RPM: CPC এবং RPM এর ক্ষেত্রে ব্লগিং সবথেকে ভালো কারণ ব্লগের এডসেন্সের CPC এবং RPM ইউটিউব এর থেকে বেশি হয় কারণ এখানে আমরা High CPC keyword গুলিকে ভালোভাবে ব্যবহার করে থাকি

 

Blogging vs Youtube Conclusion:

এরপর প্রশ্ন আছে এগুলোর মধ্যে কোনটি সবথেকে ভালো আর আমরা কোনটিকে বেছে নিতে পারি আমার মতে আমি আপনাদের বলব জেটিতে আপনাদের ইন্টারেস্ট আছে সেটিকে বেছে নিন অর্থাৎ আপনারা আজ থেকে দু বছর পরেও যারা সেই কাজটি করতে বিরক্ত না হন আর ভালো সেটি হল যেটি আপনারা প্রতিদিন নতুন কিছু দিতে পারবেন আপনার ভিজিটরদের খুশি করার জন্য

এর সাথে আরও একটি ভাল অপশন হলো আপনি দুটিকে একসাথে ব্যবহার করতে পারেন এর ফলে আপনি আরও অনেক বেশি সুবিধা ভোগ করবেন

আপনি একটি টপিকের উপর ব্লগ এবং ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে দুটিতেই প্রতিদিন সেম পোস্ট করতে পারেন এর ফলে আপনার ডবল প্রমোশন হবে

আশা করি আজকের এই পোস্ট টি পড়ে আপনারা সম্পূর্ণ তথ্য বুঝতে পেরেছেন এই পোস্টটি পড়ে আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না যদি এই পোষ্টটির সম্বন্ধে কোন ধরনের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আপনারা কমেন্ট বক্সে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আমি আপনাদের উত্তর দেওয়ার আহত চেষ্টা করব ধন্যবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top
Copy link